Blood Pressure : দেদার ভুরিভোজের কারণে ব্লাড প্রেসার তুঙ্গে? নিশ্চিন্তে খাদ্যাভাসে রাখতে পারেন এই কয়েকটি পানীয়!

Bollywood Gossip : পুজোর মরশুমে বেহিসেবি খাওয়া-দাওয়া চলতেই থাকে.. তবে তার জেরে ব্লাড প্রেশার ঊর্ধ্বমুখী হলেই সমস্যা। তবে ডায়েটে যদি এই পানীয়গুলো থাকে তবে আর কিসের চিন্তা?

0
158
Blood Pressure : দেদার ভুরিভোজের কারণে ব্লাড প্রেসার তুঙ্গে? নিশ্চিন্তে খাদ্যাভাসে রাখতে পারেন এই কয়েকটি পানীয়!
Blood Pressure : দেদার ভুরিভোজের কারণে ব্লাড প্রেসার তুঙ্গে? নিশ্চিন্তে খাদ্যাভাসে রাখতে পারেন এই কয়েকটি পানীয়!

পুজোর মরশুমে জমিয়ে ঘোরাফেরার দেদার আড্ডার সঙ্গে খাওয়া দাওয়ার কিন্তু একটি দারুন অংশ রয়েছে। ভোজন রসিক বাঙালি কিন্তু এই সময়ে কোন রকমের কড়া ডায়েটের বাঁধ মানে না। তবে শরীর তো আর এই নিয়মে চলতে চায় না.. যার ফলস্বরূপ নানান রকমের শারীরিক সমস্যা লেগেই থাকে। যার মধ্যে একটি অন্যতম সমস্যা হল হাই ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ। দেদার ভুরিভোজের কারণে যদি এই সময় আপনার ব্লাড প্রেসার উর্ধ্বমুখী হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে কিন্তু আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে থাকা বিশেষ কিছু পানীয় আপনারা দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে যোগ করে ফেলতে পারেন। দেখবেন খুব সহজেই ফলাফল পাবেন। চলুন তাহলে আমাদের এই প্রতিবেদনটির মূল পর্বে যাওয়া যাক।

স্কিমড মিল্ক

স্কিমড মিল্ক বা ফ্যাট ফ্রি দুধ পালমাইটিক অ্যাসিড দূরে রেখে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই নিশ্চিন্তে কিন্তু জলখাবারে অথবা বিকেলের টিফিনে আপনারা এটি যোগ করতে পারেন।

টমেটো জুস:

এক গ্লাস করে টমেটো জ্যুস রোজ খেতে পারলে তা হার্ট ভাল রাখে, পরিণামে ব্লাড প্রেসারের সমস্যা হয় না। সকালের জলখাবারে প্রতিদিন এটি অবশ্যই রাখার চেষ্টা করুন দেখবেন অল্প সময়ের মধ্যেই বহু শারীরিক সমস্যা গায়েব হয়ে গিয়েছে। টমেটো যে কতটা উপকারি তা কমবেশি সকলেই জানেন।

হিবিসকাস টি:

জবাফুলের নির্যাস মেশানো এই চায়ে আছে ডিউরেটিকস আর অ্যাঞ্জিওটেনসিন কনভারটিং উপাদান যা ব্লাড প্রেসার কম রাখার জন্য সুপরিচিত। এটি বাড়ানোর প্রক্রিয়া আপনারা যে কোন সোশ্যাল সাইটে পেয়ে যাবেন।

বেদানার রস:

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে বেদনার রস কিন্তু আপনার জন্য মহৌষধি হিসেবে কাজ করতে পারে।বেদানায় আছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বিটের রস:

বেদানার মতো বিটের রসও কাজে আসে ব্লাড প্রেসার কম রাখার কাজে, বিশেষ করে আর্টেরিয়াল ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এর জুড়ি নেই। তাই পুজোয় দেদার ভুরিভোজ করলেও কিন্তু তারপর বেদানার রস খাদ্যাভাসে যোগ করতে অবশ্যই ভুলে যাবেন না।

ক্র্যানবেরি জ্যুস:

এই ফলের রসে আছে ব্লাড প্রেসার কম করার মতো উপযোগী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

কমলালেবুর রস:

এতে আছে হেসপেরাইডিন নামের এক ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড যা ব্লাড প্রেসার কম করতে কাজে আসে।
অবশ্যই এটাকে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।

লেবুজল:

আমাদের অতি পরিচিত লেবু জল কিন্তু ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুন কার্যকরী।সকালে খালি পেটে লেবুজল শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-র জোগান দিয়ে ব্লাড প্রেসার কম করে রাখে।

গ্রিন টি বা সবুজ চা:

গ্রিন টি বা সবুজ চায়ের মধ্যে এমন বহু উপাদান রয়েছে যা আমাদের শরীরের স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে থাকে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ব্ল্যাক টি:

পলিফেনলে ঠাসা এই চা রোজ খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমবে, একই সঙ্গে ব্লাড প্রেসারও। বাচ্চা থেকে বড় সবাই খেতে পারেন..

ধনেবীজের শরবত:

ধনে শরীরে জমে থাকা বাড়তি সোডিয়াম এবং জল বাইরে বার করে দেয়। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য সোডিয়াম বিপজ্জনক। তবে ধনে বীজে থাকা কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে দেয় না। তাই উচ্চ রক্তচাপ হলে তরকারিতে দিয়ে হোক কিংবা শরবত বানিয়ে, ধনে খাওয়া জরুরি। আগের দিন রাতে এক কাপ জলে ধনে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ছেঁকে নিয়ে এই জল খান। রক্তচাপের মাত্রা কয়েক দিনেই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

আমলকি এবং আদার শরবত:

আমলকি এবং আদা দুই-ই উচ্চ রক্তচাপের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আমলকিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি, যা রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং রক্তচাপের মাত্রাও কমাতে সাহায্য করে। একই ভাবে আদাও রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। সেই সঙ্গে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমলকি এবং কয়েক টুকরো আদা একসঙ্গে মিক্সিতে ঘুরিয়ে শরবত বানিয়ে নিন। খালিপেটে নিয়ম করে খেলে উপকার পাবেন।